1. admin@notunkurisylhet.com : notun :
রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাহুবলে করাঙ্গী নদীর বাঁধ ভেঙে এলাকা প্লাবিত।। পানিবন্দি বাসিন্দারা বাহুবলে বিজয়ী হবার পরই কৃতজ্ঞতা জানাতে লোকালয়ে ঘুরছেন চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান বাহুবলে জমি সংক্রান্ত বিরোধ দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫ তীর বৃদ্ধ গুরুত্বর অবস্থায় দু’জনকে সিলেট প্রেরণ বাহুবলে ফ্রিপ প্রকল্পের কৃষক গ্রুপের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারের মৃত্যু হবিগঞ্জে ছাড়তে হচ্ছে না ৩ উপজেলা চেয়ারম্যান এর চেয়ার বাহুবলে জামানত হারিয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান খলিলসহ ৯ প্রার্থী বাহুবলে জাল ভোট দেওয়ায় একজনের ১ বছরের কারাদণ্ড, আটক ২ দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের প্রতি পুলিশ সুপারের হুশিয়ারী বানিয়াচংয়ে সংঘর্ষে নিহত ৩! আহত শতাধিক

সরকারি খাসের জায়গা বরাদ্ধ না পাওয়ার আক্ষেপ নিয়েই ভাড়া বাসায় মারা গেলেন সহায় সম্বলহীন বীর মুক্তিযোদ্ধা

মাধবপুর হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ১৭৪ বার পঠিত

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: মাধবপুরে সরকারী খাসের জায়গা বরাদ্ধের জন্য সংস্লিষ্ট দপ্তরে বহু আবেদন নিবেদন করেও একটুকরো খাস জমি বরাদ্ধ না পাওয়ার বেদনা বুকে নিয়ে ভাড়া বাসাতেই মারা গেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শম্ভু চন্দ্র পাল।নানান জটিল রোগে ভুগে গত রাতে পৌর এলাকার নোয়াগাঁওয়ে ভাড়া বাসায় মারা যাওয়ার পর আজ সকালে নোয়াগাঁও মহাশ্মশানে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে।

 

 

 

এর আগে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা শম্ভু চন্দ্র পালের শবদেহে পুস্পস্তব অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনজুর আহ্সান ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ।তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শন করা হয়। অনুসন্ধানে জানা যায় মাধবপুর পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের রায়পাড়ায় জন্ম ও বেড়ে উঠা শম্ভু চন্দ্র পালের।মহান মুক্তিযুদ্ধের দেশ মাতৃকার টানে সশস্ত্র যুদ্ধ করেন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা।মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের ইস্যুকৃত সাময়িক সনদপত্রে শম্ভু চন্দ্র পালের স্মারক নং -হবিগঞ্জ ৫৭-৫২৮।

 

 

 

তার স্ত্রী নিশা রাণী পালের সাথে কথা বলে জানা যায়, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে শম্ভু চন্দ্র পাল মাধবপুর বাজারে একটি ছোট চায়ের দোকান পরিচালনা শুরু করেন।এই দোকানের সামান্য আয়ে সয়সার চালানো দুঃসাধ্য হওয়ায় ধীরে ধীরে অনেক টাকা  ঋণগ্রস্থ হয়ে পড়েন। ১৯৯৫ সালে এক ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে মাধবপুর বাজারের ব্যাপক ক্ষতি হয়।পুড়ে যায় বহু দোকানপাট।শম্ভু পালের চায়ের দোকানটিও সেই সাথে পুড়ে যায়।পুড়ে যায় শম্ভুর কপালও।

 

 

 

একমাত্র সম্বল ৩ শতাংশ পরিমান বসতভিটার জায়গা বিক্রী করে ধারদেনা শোধ দিয়ে স্ত্রী নিশা রাণী পাল ও ২ পুত্র  সুশান্ত পাল এবং প্রশান্ত পালকে সাথে নিয়ে রাজধানী ঢাকায় পাড়ি জমান।একটি পোষাক তৈরীর কারখানায় দারোয়ানের চাকুরী নেন।পরিবার নিয়ে উঠেন এক বস্তিতে।কায়ক্লেশে সংসার চালাতে থাকেন।আর্থিক অনটনে ছেলেদের লেখাপড়াও করাতে পারেননি।এরমধ্যেই শরীরে নানা রোগ বাসা বাঁধতে থাকে।

 

 

 

১৪ বছর দারোয়ানের চাকুরী করার পর ২০১৯ সালে নিজ এলাকায় ফিরে পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের নোয়াঁগাওয়ে ৪ হাজার টাকা ভাড়ায় ২ কামড়ার একটি ছোট্ট ভাড়া বাসায় উঠেন।সরকার থেকে পাওয়া মুক্তিযোদ্ধা ভাতার বেশীরভাগই তার চিকিৎসা বাবদ খরচ করতে হতো।এজমা সহ নানা রোগে ভোগে ৩ বছর আগে একবার স্ট্রোক করেন শম্ভু চন্ত্র পাল।সেসময় বহু টাকা খরচ হয় তার চিকিৎসার পেছনে।

 

 

 

অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে বেশ কয়েকবার সরকারী খাস জমি বরাদ্ধ পাওয়ার জন্য আবেদন করেন।স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট মোঃ মাহবুব আলী শম্ভু চন্দ্র পালের আবেদনে সুপারিশ করেন।কিন্তু তার ভাগ্যে খাস জমির শিকে ছিঁড়েনি।তিনি বরাদ্ধ পাননি কোন খাসের জমি।

 

এটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2024
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: FT It Hosting