1. admin@notunkurisylhet.com : notun :
রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাহুবলে করাঙ্গী নদীর বাঁধ ভেঙে এলাকা প্লাবিত।। পানিবন্দি বাসিন্দারা বাহুবলে বিজয়ী হবার পরই কৃতজ্ঞতা জানাতে লোকালয়ে ঘুরছেন চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান বাহুবলে জমি সংক্রান্ত বিরোধ দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫ তীর বৃদ্ধ গুরুত্বর অবস্থায় দু’জনকে সিলেট প্রেরণ বাহুবলে ফ্রিপ প্রকল্পের কৃষক গ্রুপের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারের মৃত্যু হবিগঞ্জে ছাড়তে হচ্ছে না ৩ উপজেলা চেয়ারম্যান এর চেয়ার বাহুবলে জামানত হারিয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান খলিলসহ ৯ প্রার্থী বাহুবলে জাল ভোট দেওয়ায় একজনের ১ বছরের কারাদণ্ড, আটক ২ দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের প্রতি পুলিশ সুপারের হুশিয়ারী বানিয়াচংয়ে সংঘর্ষে নিহত ৩! আহত শতাধিক

খেলনা সদৃশ্য বস্তুর বিস্ফোরণে শিশুর মৃত্যু

গোয়াইঘাট সিলেট প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২২
  • ৭৫ বার পঠিত

গোয়াইনঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি:: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলংয়ে ব্যাটারির সাথে খেলনা সদৃশ্য বস্তু সংযোগ দিতে গিয়ে বিস্ফোরণে এক শিশু মারা গেছে।

 

নিহত ওই শিশুর নাম জুয়েল মিয়া (১০)। সে উপজেলার পূর্ব জাফলং ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর এলাকার ময়না মিয়ার ছেলে এবং স্থানীয় মাদ্রাসার শিশু শ্রেণির ছাত্র।

শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ময়না মিয়ার বসতঘরে এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জুয়েলের বাবা ময়না মিয়া ও মা জোসনা বেগম দীর্ঘদিন ধরে জাফলংয়ের একটি কলোনীতে ভাড়া বাসায় থাকতেন। তারা স্বামী-স্ত্রী দুজনই ভারত থেকে এলসির মাধ্যমে দেশে আনা পাথর ভাঙার কাজ করতেন।

 

শনিবার সন্ধ্যায় শিশুটি এলসি পাথর থেকে কুড়িয়ে পাওয়া খেলনা সদৃশ্য তার সংযুক্ত বস্তুটি বাড়িতে নিয়ে গিয়ে খেলা করছিল। ওই তারে মুঠোফোনের একটি ব্যাটারি সংযোগ দেওয়ার চেষ্টা করছিল জুয়েল। এসময় হঠাৎই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

 

এতে জুয়েলের মুখ গভীরভাকে আঘাত প্রাপ্ত হয়। এ সময় তার বাবা-মাসহ আশপাশের প্রতিবেশীরা বিকট শব্দ শুনে এগিয়ে গিয়ে দেখতে পায় রক্তাক্ত অবস্থায় ঘরের মেঝেতে পড়ে আছে শিশু জুয়েল।

 

পরে তাকে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

পুলিশ ধারণা করছে, ভারত থেকে এলসির মাধ্যমে নিয়ে আসা পাথরের সঙ্গে কোনো বিস্ফোরক ভুলবশত এসেছিল। যেটি ওই শিশু কুড়িয়ে পেয়েছিল। খেলনা সদৃশ্য ওই বস্তুটি বিস্ফোরক হতে পারে। সেটিই বিস্ফোরিত হয়ে এমন ঘটনা ঘটেছে।

 

স্থানীয় লোকজন জানায়, এরআগেও প্রায় ৪-৫ বছর পূর্বে তামাবিলে এলসি পাথর লোড-আনলোড করার সময় এমন এক বস্তুর বিস্ফোরণে এক শ্রমিক গুরুতর আহত হয়েছিলেন।

 

এ দিকে, ঘটনার খবর পেয়ে সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ মোহাম্মদ সেলিম, গোয়াইনঘাট সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার প্রবাস কুমার সিংহ, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে. এম নজরুল ইসলাম, পরিদর্শক (তদন্ত) ওমর ফারুক মোড়লসহ পুলিশ, পিবিআই ও সিআইডির একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

 

পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সিওমেক হাসপাতালে প্রেরণ করেন। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে.এম. নজরুল ইসলাম বলেন, পাথর শ্রমিকও ব্যবসায়ীরা বলছেন ভারত থেকে এলসির মাধ্যমে নিয়ে আসা পাথরে সঙ্গে হঠাৎই বিস্ফোরক জাতীয় বস্তু চলে আসে।

 

যেগুলো ওই দেশে পাথর ভাঙার কাজে ব্যবহৃত হয়। ধারণা করা হচ্ছে এমন বিস্ফোরক শিশুটির হাতে বিস্ফোরিত হয়ে এমন ঘটনা ঘটেছে।

 

বিষয়টি বিস্তারিত তদন্ত করা হচ্ছে। লাশ উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

এটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2024
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: FT It Hosting