1. admin@notunkurisylhet.com : notun :
রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাহুবলে করাঙ্গী নদীর বাঁধ ভেঙে এলাকা প্লাবিত।। পানিবন্দি বাসিন্দারা বাহুবলে বিজয়ী হবার পরই কৃতজ্ঞতা জানাতে লোকালয়ে ঘুরছেন চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান বাহুবলে জমি সংক্রান্ত বিরোধ দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫ তীর বৃদ্ধ গুরুত্বর অবস্থায় দু’জনকে সিলেট প্রেরণ বাহুবলে ফ্রিপ প্রকল্পের কৃষক গ্রুপের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারের মৃত্যু হবিগঞ্জে ছাড়তে হচ্ছে না ৩ উপজেলা চেয়ারম্যান এর চেয়ার বাহুবলে জামানত হারিয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান খলিলসহ ৯ প্রার্থী বাহুবলে জাল ভোট দেওয়ায় একজনের ১ বছরের কারাদণ্ড, আটক ২ দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের প্রতি পুলিশ সুপারের হুশিয়ারী বানিয়াচংয়ে সংঘর্ষে নিহত ৩! আহত শতাধিক

মাধবপুরে প্রেম বিচ্ছেদে খুন ” খুনের ৫ মাসের মাথায় খুলনায় গ্রেফতার তাকবীর

মাধবপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই, ২০২২
  • ১০৭ বার পঠিত

মাধবপুর প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার আইলাবই গ্রামের শিশু কন্যা তাকমিনা আক্তার লিজা (৯) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের ৫ মাস পর প্রধান আসামী তাকবীর হাসান (২০) কে খুলনা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন(পিবিআই)। তাকবীর হাসান আইলাবই এলাকার সাইদুর রহমান ওরফে মন মিয়া।

 

গত ২৩ জুলাই বিকেল ৩টায় খুলনা জেলার খালিশপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে ঘটনার পর থেকে খুলনা পালিয়ে গিয়ে একটি চায়ের দোকানে কাজ নেয়ে। পিবিআই তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে অভিযান চালিয়ে গ্রফতার করা হয়।

 

গ্রেফতারকৃত আসামী গতকাল রবিবার বিকেলে তাকবীর হাসান হত্যার দায় স্বীকার করে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

 

আসামীর বরাত দিয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আব্দুল আহাদ জনান, আসামী তাকবীরের সাথে তারই গ্রামের একটি মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্পর্ক চলাকালীন সময় একদিন সন্ধ্যায় তারা দেখা করতে গেলে ভিকটিম লিজা তাদেরকে একত্রে দেখে ফেলে।

 

ভিকটিম লিজা আক্তার ঘটনাটি মেয়েটির মাকে জানিয়ে দেয়। এর পর থেকে মেয়েটির সাথে তাকবিরের প্রেমের সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায়।

 

এই ঘটনায় আক্রোশান্বিত হয়ে আসামী তাকবীর হাসান গেল বছর ২১ জুলাই ঈদ-উল-আযহার দিন সকাল ৭টায় শিশু লিজাকে গলা টিপে হত্যা করে।

 

আদালতে এমনটাই জানিয়েছে আসামী তাকবীর হাসান বলে তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পুলিশ পরিদর্শক মোঃ শাহনেওয়াজ।

 

প্রসঙ্গত: শিশু লিজাকে গত ২১ জুলাই ঈদ-উল-আযহার দিন সকাল অনুমান সাড়ে ৬টায় সেলিনা বেগম তার মেয়ে তাকমিনা আক্তার লিজাকে মাধবপুর উপজেলার পাশের গন্ধব্যপুর গ্রামের একটি দোকান থেকে নুডুলস ও প্রয়োজনীয় কিছু দ্রব্য সামগ্রীকিনে আনার জন্য পাঠায়।

 

পরবর্তীতে তার মেয়ে নুডুলস নিয়ে বাড়ীতে ফিরে না আসলে আশেপাশের সম্ভাব্য সকল স্থানে ও আত্মীয় স্বজনদের বাড়ীতে খোঁজাখুজি করে মেয়ের কোন সন্ধান না পেয়ে সেলিনা বেগম মাধবপুর থানায় একটি নিখোঁজ ডায়রী করেন। পরবর্তীতে গত ২৫ জুলাই ২১ সালে ১১টায় দুই জন মহিলা গ্রামের বাঁশ ঝাড়ের ভিতরে লাকড়ি কুড়াতেগিয়ে ভিকটিমলিজার অর্ধ-গলিত মৃতদেহ দেখতে পান এবংভিকটিমের মা সেলিনা বেগমকে সংবাদ দেন।

 

তাৎক্ষনিক ভাবে সেলিনা বেগম ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে তার মেয়ের অর্ধ-গলিত মৃতদেহ শনাক্ত করেন। গত ২১ জুলাই সাড়ে ৬টায় হইতে ২৫ জুলাই ১১টার মধ্যে যে কোন সময় অজ্ঞাতনামা খুনিরা শিশু কন্যা লিজাকে শ্বাসরুদ্ধ করে বা অন্য যেকোন ভাবে হত্যা করেছে মর্মে লিজার বাবা বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় একটি হত্যামামলা দায়ের করেন।

 

অতিরিক্ত আইজিপি, পিবিআই বনজ কুমার মজুমদার, বিপিএম (বার), পিপিএম দিক নির্দেশনায় এবং পিবিআই হবিগঞ্জ ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার, মোঃ আল মামুন শিকদার এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে, মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পুলিশ পরিদর্শক মোঃ শাহনেওয়াজ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ও বিশ্বস্ত সোর্সের মাধ্যমে গত ফেব্রয়ারী সন্দিগ্ধ আসামী বাহার উদ্দিন এবং গত ৯ ফেব্রয়ারী খাদিজা আক্তার তাজরীন ও আমেনা খাতুন আঞ্জুদেরকে গ্রেফতার করেন।

 

গ্রেফতারের পরবর্তীতে তাদেরকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামী তাকবীর হাসান ভিকটিম লিজাকে গলা টিপে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

 

এরপর থেকে আসামী তাকবীরকে গ্রেফতারের জন্য পিবিআই হবিগঞ্জ টিম বিভিন্ন ভাবে প্রচেষ্টা চালাতে থাকে। একপর্যায়ে চলতি বছরের গত ২৩ জুলাই তাকবীর হাসানকে খুলনা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

 

এটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2024
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: FT It Hosting